একটা মেয়ের সাথে ম্যাসেঞ্জারে রিলেশন চলছিল ৭-৮ মাস হল, প্রথমে বলছিল, তার বাবা উকিল, কয়েকদিন পরে দেখা গেল এক বাসায় ….

একটা মেয়ের সাথে ম্যাসেঞ্জারে রিলেশন চলছিল ৭-৮ মাস হল।প্রথমে বলছিল, তার বাবা উকিল। কয়েকদিন পরে দেখা গেল এক বাসায়
কাজ করে।

আমি মেনে নিয়েছি এর পরে একদিন বললো ওর নাকি একবার বিয়ে হয়েছে, দুই মাস সংসার করার পরে ডিভোর্স হয়ে গেছে।

তবুও আমি মেনে নিয়েছি। এর কয়েকদিন পরে বললো ওর নাকি একটা বাচ্চা আছে!! এটাও আমি মেনে নিয়েছি। এরপরে এক দিন বললো ওর বিয়ে একটা না; দুইটা হয়েছিল!!

তাও আমি মেনে নিয়েছি।

এত কিছু করার পরেও আজ বললোঃ সে নাকি একটা ছেলে! মেয়েদের নাম
দিয়ে আইডি চালায়!!

একবার এক বাপ নিজের ছেলের সাথে দেখা করতে শহরে এল। গিয়ে
দেখলো, তার ছেলের সাথে একটা খুব সুন্দরী মেয়েও থাকে।
রাতে তিন জন যখন এক সাথে ডিনার টেবিলে বসলো, বাবা জিজ্ঞেস
করলো– তোর্ সাথে এই মেয়েটি কে রে ?

ছেলে বলল- বাবা, ও আমার রুম পার্টনার, আমার সাথে থাকে . . . তুমি
এটা নিয়ে কী ভাবছ, সেটা আমি জানি। কিন্তু আমাদের দুজনের মধ্যে সে
রকম কোন সম্পর্কই নেই। আমাদের দুজনের আলাদা আলাদা কামরা, আলাদা
আলাদা বেড | আমরা দু’জন শুধু খুব ভাল বন্ধু।
বাপ বলল- ঠিক আছে…

পরের দিন বাপ নিজের গ্রামে চলে গেল……… এক সপ্তাহ পর…
মেয়েটি ছেলেটিকে বলল –শোনো, গত রবিবার তোমার বাবা যে প্লেটে
ডিনার করেছিলেন, ওই প্লেটটা খুঁজে পাচ্ছি না, আমার সন্দেহ তোমার বাবাই
এটা নিয়ে গেছেন।

ছেলেটি রেগে গিয়ে বলল– শাট আপ.. . এসব কী কথা, তুমি কি আমার
বাবাকে চোর বলছো ?

মেয়েটি বলল- তা না | কিন্তু, তুমি একবার তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করেই
দেখো না, জিজ্ঞেস করতে আপত্তি কিসের?
ছেলেটি বলল- OK, আমি জিজ্ঞেস করব…

পরদিন ছেলে বাপকে একটা ই-মেল পাঠালো..তাতে লিখলো–আমি এটা বলছি
না যে আপনি আমাদের প্লেটটা চুরি করে নিয়ে গেছেন, অথবা এটাও বলছি
না যে আপনি প্লেটটা নিয়ে যাননি … মানে, যদি ভুলবশতঃ আপনি প্লেটটা

নিয়ে গিয়ে থাকেন, তাহলে ওটা ফেরত দিয়ে দেবেন কারণ, ওটা ওই
মেয়েটির খুব পছন্দের প্লেট ।
ইতি,
আপনার ছেলে |

এক ঘন্টা পরই বাবার জবাব এলো– আমি এটা বলছি না যে তোর্ রুম
পার্টনার রাতে তোর্ সাথে ঘুমায় আবার এটাও বলছি না যে ওই মেয়েটি
রাতে তোর্ সাথে ঘুমায় না |

তবে ওই মেয়েটি যদি পুরো সপ্তাহের মধ্যে
একবারও তার নিজের রুমে, নিজের বেডে শুতে যেত, তাহলে ওর বালিশের
নিচেই সে তার প্লেটটা পেয়ে যেত, কারণ প্লেটটাধামরাইয়ে পিকআপ চাপায়
মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

মোঃমাহবুবুল অলম রিপন, ধামরাই সংবাদদাতা ।। ঢাকা ধামরাইয়ে
কালামপুর সাটুরিয়া আঞ্চলিক সড়কের বাসনা এলাকায় পিকঅপের সাথে
মুখমুখি সংঘর্ষে মাথায় চাপা লেগে মোঃ জিল্লুর রহমান (৪৫) নামে এক
মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৯অক্টোবর) বেলা ৪ ঘটিকার সময় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মোঃ জিল্লুর রহমানের বাড়ী ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের
বাস্তানয়াচর গ্রামের মৃত আব্দুর সফুরউদ্দিনের ছেলে। নিহত জিল্লুর রহমান
দুটি সন্তানের জনক বলে জানাগেছে।

এই ব্যাপারে এলাকাবাসি বলেন, মোটরসাইকেল চালকের মাথায় আঘাত
লাগায় তার মৃত্যু হয়েছে।যদি তার মাথায় হেলমেট থাকত তা হলে এত বড়
ক্ষতি হত না।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার উপ- পরিদর্শক ( এস. আই) মোঃ মাসুদ মোল্লা
জানান,কালামপুর থেকে সাটুরিয়া যাওয়ার পথে বাসনা এলাকায় পিকঅপের

সাথে কালামপুরগামী মোটরসাইকেলের মুখমুখি সংঘর্ষে হলে ঘটনাস্থলে
মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়। আমি ওখানেই লুকিয়ে রেখে এসেছিলাম
ইতি
তোর্ বাপ!!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*