যে চারটি সত্য স্বামিকে বলতে চান না স্ত্রীরা মরে গেলেও , আপনিও বঞ্চিত হচ্ছেন না তো? দেখে নিন

বিয়ে মানেই একটি সামাজিক বিশ্বাস, একটি সামাজিক বন্ধন। যার মাধ্যমে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সারাজীবন একসাথে হাতে হাত রেখে একে

অপরের সুখ ও দুঃখে পাশে থেকে সারা জীবন এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করে।

কিন্তু গোপনীয়তা প্রত্যেকটি মানুষেরই একটি অধ্যায়৷ প্রত্যেকটা মানুষেরই নিজস্ব বিষয়৷ এটি যেমন পুরুষের আছে ঠিক তেমনই আছে নারীরও৷

মরে গেলেও এই চারটি সত্য পুরুষদের বলতে চান না স্ত্রীরা। তারা কেনই বা আর কোন কোন বিষয় পুরুষদের কাছে গোপনীয় রাখতে চায় চলুন দেখেনি। একে অপরের সাথে সারা জীবন কাটানোর অঙ্গীকার করেই অগ্নি সাক্ষী করে তারা বিয়ে করেন।

সুখে দুঃখে পাশে থাকা, একে অপরের সাহায্য করা, এর নামই তো বিয়ে। তবে কেন এই গোপনীয়তা? চলুন দেখেনি কী বলছে বিজ্ঞানীরা?

বিজ্ঞানীদের মতে এমন চারটি বিষয় রয়েছে যেগুলি বাড়ির মহিলারা অন্য সদস্যদের জানাতেও পছন্দ করেন না।

১। শারীরিক অসুস্থতা=

যে চারটি সত্য স্বামিকে বলতে চান না স্ত্রীরা মরে গেলেও , আপনিও বঞ্চিত হচ্ছেন না তো? দেখে নিন

এ ব্যাপারে কথা বলায় মেয়েদের চরম অনিহা থাকে। বিশেষত যদি তারা বুঝতে পারেন সমস্যা গুরুতর তবুও তারা স্বামীর কাছে কিছু বলতে পারেন না।বিজ্ঞানীরা এর পেছনে একটা ভাবনাকেই দায়ী করেন যে সংসারের সমস্যার পাশাপাশি তারা যদি এই সমস্যা গুলিও বলেন তাহলে তার ওপর চাপ বেড়ে যাবে।

২। সম্পর্কের সমস্যা=

সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গেচে যে বেশিরভাগ বিবাহিত মহিলারা একলা মনোবৃত্তির সাহয্য নিচ্ছে থেরাপি ও করাচ্ছেন। থেরাপিস্ট ডাক্তাররা জানাচ্ছেন সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এর প্রধান কারন হল ভয়, মহিলারা মনে করেন থেরাপির কথা স্বামি জানতে পারলে তারাও নিজের স্বাধীন মতামত দেবেন। তবে সম্পর্ক তৈরি হয দুজনকে নিয়ে তাই সমস্যা এসে থাকলেও তা মেটাতে হবে দুজনকেই।

৩। জীবনে পছন্দ অপছন্দ=

বিয়ের সাথেই নারীদের পছন্দের ব্যপারটি জড়িয়ে থাকে। কিন্তু এব্যাপারেও তারা চুপ থাকতেই বেশি পছন্দ করেন। তারা ভাবেন পুরুষদের তাদের পছন্দের কথা বললে তারা অসন্তুষ্ট হন। তাই তারা মুখ বুজে সব সহ্য করে নেন।

৪। ব্যাক্তিগত সাফল্য=

যে চারটি সত্য স্বামিকে বলতে চান না স্ত্রীরা মরে গেলেও , আপনিও বঞ্চিত হচ্ছেন না তো? দেখে নিন

অফিসে প্রমোশনই হোক অথবা বড়সড় বেতন বৃদ্ধি সবই খুব আনন্দের ব্যাপার। কিন্তু মহিলারা এই ব্যাপারটিও লুকিয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করেন। এর প্রধান কারন হল ইগো।

এটি দু পক্ষেরই থাকতে পারে। ডাক্তার ক্রিস্চেন বলেন বেশিরভাগ সফল পুরুষেরা কোনো চাকরিজীবি সফল মহিলাদেরই বিবাহ করতে চান। এতে তারা প্রথম একটি জিনিষ দেখেন যে স্ত্রী তার থেকে বেশি সফল কিনা। যদি তার স্ত্রী তার থেকে বেশি সফলতা অর্জন করে থাকেন তাহলে তাদের ইগো স্যাটিসফাই হয় না এবং সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে। কিন্তু এটা করা একদম ই উচিত নয় বিবাহ একটা পবিত্র বন্ধন এটিকে এভাবে কলুষিত করা একদমই ঠিক নয়৷ যে যেরকমই আয় করুক তাকে তার প্রাপ্য সম্মান অবশ্যই দেওয়া উচিত।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*