যারা বিয়ে করেন নি তারা ভিডিওটি দেখবেন না!

যারা বিয়ে করেন নি তারা ভিডিওটি দেখবেন না! দেখুন ৪০ বছরের আন্টির লুচ্চামি

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে।

প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য।

আপনারা ভারতীয় ‘নীল ছবি’ দেখে যে ১০টি জিনিস শিখতে পারে‌ন
ভারতীয় ‘নীল ছবি’ বা পর্নের আলাদা ঘরানা রয়েছে। স্বদেশি পর্ন মানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফট পর্ন বা আধা পর্ন। এদেশে ‘মাল্লু’ বা ‘দেশি’ নামে পরিচিত যে দক্ষিণ ভারতীয় ফিল্ম-গোত্র, তা সবসময়ে ‘ইংলিশ’ পর্নের মতো অতটা রগরগে জিনিস নয়। এই ফিল্ম ঘরানার স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। এই ফিল্মের দর্শক যাঁরা তাঁরা এই সব ফিল্ম থেকে শিখে নিতে পারেন যে উদ্ভট কয়েকটি জিনিস তা এরকম—

১. মাল্লু সিনেমা দেখে আপনার মনে হতেই পারে যে, ভারতে ‘সেক্স’ নামক বস্তুটি কেবল দক্ষিণ ভারতেই পালিত হয়। কারণ এইসব সিনেমায় উত্তর ভারতীয় অভিনেতা-অভিনেত্রী রীতিমতো বিরল।

২. সমস্ত পোশাক-আশাক না খুলেও সঙ্গম করা কোনও ব্যাপার নয়। কারণ দেশি ‘পর্ন’ ফিল্মে নিম্নাঙ্গের পোশাক অধিকাংশ সময়েই খোলা হয় না।

৩. একটু মেদবতী নন যে মেয়ে, তার কোনও যৌন আবেদনই নেই।

৪. মাঝবয়সি বৌদি-টাইপ না হলে মহিলারা ‘সেক্সি’ বলে বিবেচিত হওয়ার যোগ্যই হন না।

৫. মানুষকে যৌনভাবে উত্তেজিত করার জন্য সেক্স ফ্যান্টাসিই যথেষ্ট। ভারতীয় পর্নে প্রায়শই দেখা যায় লোকে কেবল কল্পনার মাধ্যমেই মহা উত্তেজিত হয়ে উঠছে।

৬. শরীরী প্রেম করার জন্য বিছানার থেকেও ভাল জায়গা হল বাথরুম। মিলিত হওয়ার জন্য নারী-পুরুষ কথায় কথায় শাওয়ারের নীচে চলে যায়।

৭. সেই পুরুষই বিছানায় কাম্য, যার নাকের নীচে মোটাসোটা গোঁফ রয়েছে।

৮. রেপ ও স্বাভাবিক যৌনতার মধ্যে ফারাক সামান্যই। কারণ নায়িকারা দু’ক্ষেত্রে প্রায় একই রকম এক্সপ্রেশন দিয়ে থাকেন। এবং সেই এক্সপ্রেশনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল ঠোঁট কামড়ানো।

৯. ঘোর নির্জন বাথরুমে শাওয়ারের নীচেও মেয়েরা সুইমিং কস্টিউম পরে গোসল করেন।

১০. সদ্য গোসল করা মেয়েরা বাথরুম থেকে বের হন সর্বদাই তোয়ালে পরে। অন্য আব্রু দেখাই যায় না।

ভারতীয় ‘নীল ছবি’ বা পর্নের আলাদা ঘরানা রয়েছে। স্বদেশি পর্ন মানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফট পর্ন বা আধা পর্ন। এদেশে ‘মাল্লু’ বা ‘দেশি’ নামে পরিচিত যে দক্ষিণ ভারতীয় ফিল্ম-গোত্র, তা সবসময়ে ‘ইংলিশ’ পর্নের মতো অতটা রগরগে জিনিস নয়। এই ফিল্ম ঘরানার স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। এই ফিল্মের দর্শক যাঁরা তাঁরা এই সব ফিল্ম থেকে শিখে নিতে পারেন যে উদ্ভট কয়েকটি জিনিস তা এরকম—

১. মাল্লু সিনেমা দেখে আপনার মনে হতেই পারে যে, ভারতে ‘সেক্স’ নামক বস্তুটি কেবল দক্ষিণ ভারতেই পালিত হয়। কারণ এইসব সিনেমায় উত্তর ভারতীয় অভিনেতা-অভিনেত্রী রীতিমতো বিরল।

২. সমস্ত পোশাক-আশাক না খুলেও সঙ্গম করা কোনও ব্যাপার নয়। কারণ দেশি ‘পর্ন’ ফিল্মে নিম্নাঙ্গের পোশাক অধিকাংশ সময়েই খোলা হয় না।

৩. একটু মেদবতী নন যে মেয়ে, তার কোনও যৌন আবেদনই নেই।

৪. মাঝবয়সি বৌদি-টাইপ না হলে মহিলারা ‘সেক্সি’ বলে বিবেচিত হওয়ার যোগ্যই হন না।

৫. মানুষকে যৌনভাবে উত্তেজিত করার জন্য সেক্স ফ্যান্টাসিই যথেষ্ট। ভারতীয় পর্নে প্রায়শই দেখা যায় লোকে কেবল কল্পনার মাধ্যমেই মহা উত্তেজিত হয়ে উঠছে।

৬. শরীরী প্রেম করার জন্য বিছানার থেকেও ভাল জায়গা হল বাথরুম। মিলিত হওয়ার জন্য নারী-পুরুষ কথায় কথায় শাওয়ারের নীচে চলে যায়।

৭. সেই পুরুষই বিছানায় কাম্য, যার নাকের নীচে মোটাসোটা গোঁফ রয়েছে।

৮. রেপ ও স্বাভাবিক যৌনতার মধ্যে ফারাক সামান্যই। কারণ নায়িকারা দু’ক্ষেত্রে প্রায় একই রকম এক্সপ্রেশন দিয়ে থাকেন। এবং সেই এক্সপ্রেশনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল ঠোঁট কামড়ানো।

৯. ঘোর নির্জন বাথরুমে শাওয়ারের নীচেও মেয়েরা সুইমিং কস্টিউম পরে গোসল করেন।

১০. সদ্য গোসল করা মেয়েরা বাথরুম থেকে বের হন সর্বদাই তোয়ালে পরে। অন্য আব্রু দেখাই যায় না।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*