‘নূপুর এখন আমার, রবিবার থেকে আবার তোমার স্ত্রী’

ভুবনেশ্বর কুমারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের বয়সটা প্রায় ৬ বছর। এই সময়ের মধ্যে নিজেকে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যে পরিণত করেছেন ডানহাতি এই পেসার।

বল হাতে নাকাল করেছেন বিশ্বের অনেক বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানকে। সেই ভুবনেশ্বরকেই একবার নাকাল হতে হয়েছিল সতীর্থ শিখর ধাওয়ানের ছেলের কাছে।

ধাওয়ানের ছেলে জোরাভার ধাওয়ানের বয়স মাত্র ৪ বছর। এই বয়সে বাবার সঙ্গে জাতীয় দলের সফরসঙ্গী হয়ে দেশ-বিদেশ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ধাওয়ানপুত্র।

এই সূত্রে জাতীয় দলের অন্যান্য ক্রিকেটারদের সঙ্গেও রয়েছে শিশুটির সখ্য। কিন্তু সেই সখ্যই রীতিমতো বিপাকে ফেলে দিয়েছিল ভুবনেশ্বরকে!

একবার তো ভুবনেশ্বর কুমারের স্ত্রী নূপুর নাগরকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করে বসেছিল ধাওয়ানপুত্র। আর সতীর্থের ছেলের এমন দাবি শুনে রীতিমতো হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন ভুবনেশ্বর। পরবর্তী সময়ে অবশ্য সেই অভিজ্ঞতার কথা জানান ভুবনেশ্বর নিজেই।

এক সাক্ষাৎকারে ভুবনেশ্বের বলেন, ‘একবার আমার স্ত্রী নূপুরের সঙ্গে খেলছিল জোরাভার। তখন আমি জোরাভারকে বলি, ও (নুপূর) আমার স্ত্রী। ওকে বেশি সমস্যায় ফেলো না আবার।’

ভুবনেশ্বরের এমন কথা হয়তো পছন্দ হয়নি ধাওয়ানপুত্রের। তাই তো এমন সতর্কবার্তার জবাবে জোরাভার বলে, ‘এখন নূপুর আমার স্ত্রী। রবিবার থেকে নূপুর আবার তোমার স্ত্রী।’

ভুবনেশ্বর বলেন, ‘ওর মুখে এমন কথা শোনার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। যখন শুনলাম, আমি কিছুক্ষণের জন্য চুপ হয়ে গিয়েছিলাম। আশেপাশে উপস্থিত সবাই তো হেসে একাকার। তার বাবা-মা দুজনই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারাও ছেলের এমন কথা শুনে হেসেছেন।’

অবশেষে চিটাগাং ভাইকিংসকে নিয়ে মিলল বিরাট সুখবর

প্লেয়ার্স ড্রাফটের এক মাসেরও কম সময় বাকি থাকা অবস্থায় চিটাগাং ভাইকিংস কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়ে যায় বিপিএল আয়োজক কর্তৃপক্ষ। এমনিতেই নেই বরিশালের দল, তার উপরে বিপিএলের সূচির সাথে সংঘর্ষ ঘটবে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশের।

এর সাথে আবার যদি চট্টগ্রামেরও দল না থাকে তাহলে অনেকাংশেই কমে যাবে এবারের বিপিএলের দল। বাংলাদেশ ক্রিকেটে চট্টগ্রাম নগরী থেকে উঠে আসা ক্রিকেটারের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ শহর হিসেবেও নামডাক রয়েছে এ শহরের। তার ওপর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর থেকে বিপিএলে কোনো দল অংশ না নেয়াটা হবে বেশ দুঃখজনক।

তাই চট্টগ্রাম থেকে দল না থাকার পক্ষে নয় বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। যে কারণে এরই মধ্যে ডিবিএল গ্রুপের সাথে আলোচনায় বসে তাদের অন্তত এ আসরে অংশগ্রহণে রাজি করানোর পথ খুঁজছে বিপিএল আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

আজ বিকেলে চিটাগাং ভাইকিংসের ফ্র্যাঞ্চাইজি ডিবিএল কর্তৃপক্ষ ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের উচ্চপর্যায়ের ক’জন কর্তাদের সাথে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছে।

সে কথোপকথনে ডিবিএল গ্রুপের স্বত্বাধিকারী হ্যাঁ বা না কিছুই বলেননি, সময় চেয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে বুধ-বৃহস্পতিবারের মধ্যেই ডিবিএল কর্তৃপক্ষ বোর্ডকে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে। ফলে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারছে না বিসিবি বা বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।

এদিকে আবার শোনা যাচ্ছে ডিবিএল গ্রুপ রাজি না হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দুই পরিচালক সাবেক ক্রিকেটার আকরাম খান এবং চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাসির মিলে কিনে নিতে পারেন চট্টগ্রামের ফ্র্যাঞ্চাইজি। আগামীকাল (বুধবার) চট্টগ্রামের মেয়রের সাথে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আকরাম।

কোহলির ওয়েবসাইটে হ্যাকড করে লিটন দাসের ছবি দিয়ে যা করছে হ্যাকাররা

ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে হ্যাকাররা।

বিশ্বের ভয়ংকরতম এই ব্যাটসম্যানের ওয়েবসাইটে এখন‌ ভারতের বিপক্ষে এশিয়া কাপের ফাইনালে লিটন দাসের বিতর্কিত আউটের সেই ছবি ঝুলছে! ভারতীয় গণমাধ্যম দাবি করছে, বাংলাদেশি হ্যাকাররা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-ভারত। ম্যাচটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন বাংলাদেশি ওপেনার লিটন দাস। বাকী ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ যখন বিপদে, তখনই লিটনের বিপক্ষে স্টাম্পিংয়ের বিতর্কিত রায় দেন থার্ড আম্পায়ার। এই আউট নিয়ে সারাবিশ্বে তোলপাড় শুরু হয়।

২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের দুটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীদের সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায় রূপ নিয়েছে। লিটনের ওই ঘটনার পর আবারও যেন ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি যেন জেগে উঠেছে। তাই এশিয়া কাপে কোহলি না খেললেও ‘প্রতিবাদ’ জানাতে তার ওয়েবসাইটটাই বেছে নিল হ্যাকাররা।

গত ২৯ সেপ্টেম্বরের পর থেকে http://www.viratkohli.club/gallery ওয়েবসাইটটি এখন পর্যন্ত হ্যাকারদের দখলে। এতে আইসিসি এবং ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রতি বার্তা দিয়েছে হ্যাকাররা। ‘সাইবার সিকিওরিটি ইন্টেলিজেন্স’ (সিএসআই) নামের একটি হ্যাকার গ্রুপ এই ঘটনার দায় স্বীকার করে ফেসবুকে পো্স্ট দিয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে তারা লিখেছে, ‘আমরা সবাই জানি, ক্রিকেট হলো জেন্টেলম্যানদের খেলা! কিন্তু বাংলাদেশ প্রতিবার এমনভাবে পক্ষপাতিত্ব করার জন্য ব্যর্থ হয়!! যার প্রতিবাদ হিসেবে বিরাট কোহলির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করা হলো এবং সামনে আরও অনেক কিছু হবে!!’

এদিকে ওয়েসবাইটে আইসিসির প্রতি এক বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘প্রিয় আইসিসি, ক্রিকেট কি ভদ্রলোকের খেলা নয়? প্রত্যেক দলের কি ফেয়ার প্লের সুযোগ পাওয়ার অধিকার নেই?

দয়া করে ব্যখ্যা করুন তো, এটা কীভাবে আউট হয়? আপনারা যদি এজন্য অফিসিয়ালি ক্ষমা না চান এবং আম্পায়ারদের শাস্তি না দেন, তাহলে প্রতি মুহুর্তে আপনাদের ওয়েবসাইট হ্যাকড হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন!’

ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রতি বার্তা দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘ভারতীয় ভাই এবং বোনেরা, আমরা আপনাদের অসম্মান করছি না। দয়া করে ভাবুন তো, এমন ঘটনা যদি আপনাদের দলের সঙ্গে হতো তাহলে কেমন লাগত আপনাদের? প্রতিটি জাতীয় দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সমাধিকার পাওয়ার অধিকার রাখে। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।’

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*