জন্মদিনে ছেলেকে যে উপহার দিয়ে সবাইকে চমকে দিলেন অপু বিশ্বাস!

‘ভালো কিংবা খারাপ যেকোনো সময়ে তোমার পাশে থাকব।

আমার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তোমার বড় ভক্ত হয়ে থাকব। খুব যত্ন করে আগলে রাখব তোমাকে। শুভ জন্মদিন প্রিয় পুত্র আব্রাম খান জয়।’ কথাগুলো নিজের ভেরিফাইয়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন ঢাকাই ছবির পরিচিত মুখ অপু বিশ্বাস।

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের ছেলে আব্রাম খান জয়ের আজ জন্মদিন। এ উপলক্ষে অপু বিশ্বাস সারাদিন খুব ফুরফুরে আছেন। জন্মদিনের উপহার হিসেবে ছেলের জন্য একটি টয়োটা গাড়ি কিনেছেন বলে এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন তিনি।

জন্মদিনে ছেলেকে যে উপহার দিয়ে সবাইকে চমকে দিলেন অপু বিশ্বাস!

এ বিষয়ে অপু বিশ্বাস বলেন ,‘আগস্টের মাঝামাঝি সাদা রঙের একটি গাড়ি কিনেছি। জয়ের দ্বিতীয় জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাড়িটা কিনেছি। এটা ওর জন্মদিনে আমার পক্ষ থেকে উপহার। জয় সুন্দরভাবে বেড়ে উঠুক এটাই আমার চাওয়া।’

জন্মদিনে ছেলেকে যে উপহার দিয়ে সবাইকে চমকে দিলেন অপু বিশ্বাস!

চলতি বছরের শুরুতে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। গত বছর একটি টিভি অনুষ্ঠানে ছেলে জয়কে নিয়ে উপস্থিত হয়ে শাকিব খানের সঙ্গে অপু বিশ্বাস তাঁর গোপন বিয়ের কথা সবাইকে জানান। ২০০৮ সালে ১৮ এপ্রিল শাকিব ও অপুর বিয়ে হয়েছিল। দীর্ঘদিন গণমাধ্যমের কাছে এই খবর আড়াল করে রেখেছিল ঢালিউডের জনপ্রিয় এই জুটি।

-Ntv

কে এই সমালোচিত নারী? পাওয়া গেল তার পরিচয়

স্কুলের সামনের রাস্তায় ডাবল লেনে গাড়ি পার্কিং করে রাখায় প্রাইভেটকার আরোহীকে তা সরিয়ে নিতে অনুরোধ করেন ট্রাফিক সার্জেন্ট।

গাড়ি সরাতে আপত্তি জানিয়ে নিজেকে সাংসদের মেয়ে পরিচয় দেন ঐ প্রাইভেটকার আরোহী। এ সময় সার্জেন্টের সাথে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন তিনি।

ঘটনাটি মঙ্গলবার দুপুরে মিরপুর ১৩ নম্বর স্কলাস্টিকা স্কুলের সামনে ঘটে। ঘটনার সময় ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও চিত্র ধারণ করেন সার্জেন্ট ঝোটন শিকদার।

মঙ্গলবার বিকেলে একটি ফেসবুক গ্রুপে প্রথম ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এরপর তা ছড়িয়ে পরে নানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরই মধ্যে পাওয়া গেছে নারীর বিস্তারিত পরিচয়।

ভিডিওতে দেখা যায় সার্জেন্ট ঝোটন শিকদার গাড়ির ভেতরে থাকা নারীকে তার গাড়ি সরিয়ে নিতে অনুরোধ করছেন। আর ঐ নারী নিজেকে সাংসদেরর মেয়ে পরিচয় দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এই কার গাড়ির ছবি তোলো? এটা সরকারি দলের লোকের গাড়ি। কার গাড়ির ছবি তোলো?’

‘তোমার মতো সার্জেন্ট কয় টাকা বেতনে চাকরি করে? কয় টাকা বেতনে চাকরি করে তোমার মতো সার্জেন্ট? আমরা প্রধানমন্ত্রীর লোক, ঠিক আছে?’ ‘আমার বাবা জাতীয় কমিটির সদস্য, আমার বাবা এমপি, ঠিক আছে? কয় টাকা বেতনে চাকরি করো?’

এ বিষয়ে ঝোটন শিকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘ঘটনার সময় আমার কথাবার্তা যতেষ্ট নমনীয় ছিল। আমি তাকে গাড়িটি সরিয়ে নিতে অনুরোধ করি। কিন্তু তিনি আমার সাথে বেশ বাজে আচরণ করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘ডাবল লেনে গাড়ি পাকিং করায় বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। তাকে গাড়ি সরাতে বলায় দুই টাকার চাকরি করি, দুই টাকার সার্জেন্ট, তার বাবা এমপি এমন নানা কথা শোনান।’

মেট্রো-গ, ২৬-৯৩৪৭ নম্বরের এই গাড়িটির বিরুদ্ধে তিন অবৈধ পার্কিংসহ তিন ধারায় তিনটি মামলা করা হয়েছে বলে জানান সার্জেন্ট ঝোটন শিকদার।

ঘটনার কারণে উপর থেকে কোনো চাপ বা ফোন কল এসেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমার কাছে এমন কোনো কল বা কারো কোনো চাপ আসেননি। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি।‘

জানা গেছে, প্রাইভেটকারটির আরোহীর নাম ফারজানা ইয়াসমিন। তার বাবার নাম আব্দুল বাতেন মিয়া। ফারজানা ইয়াসমিন নিজেকে সাংসদ কন্যা হিসেবে পরিচয় দিলেও দশম জাতীয় সংসদ সদস্যের তালিকায় তার বাবার নামে কোনো সংসদ সদস্য নেই।

এদিকে পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর ফেসবুকে অনেকেই ওই নারীর কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের ভিডিও শেয়ার করে তার কঠোর সমালোচনা করেন।

ওই পোস্টের নিচে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মিহাদ রহমান লিখেছেন, ‘অন্যায় যে করবে সে অপরাধী, হোক আওয়ামী লীগ অথবা বিএনপি কোনো ছাড় নেই। সার্জেন্ট ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য।’

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মিহাদ রহমান লিখেছেন, ‘অন্যায় যে করবে সে অপরাধী, হোক আওয়ামী লীগ অথবা বিএনপি কোনো ছাড় নেই। সার্জেন্ট ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য।’

হাসান রিজভি নামের চট্টগ্রামের এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘এরা রাস্তাঘাটে সরকারের নাম অন্যায় কাজে বিক্রি করে কষ্টে অর্জিত দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।’

কাজী কামরুল নামে এক ব্যবসায়ী লিখেছেন, ‘উনাকে ও উনার গাড়িটা আটক করা উচিত ছিল। তারপর দেখা যেত তিনি কোন নেতার বউ বা মেয়ে। এরা দলের ক্ষতি করে। উনার কথাগুলো রেকর্ড করা ছিল তাই আটক করা যেত।’

গভীর রাতে বৃদ্ধা মাকে রাস্তায় ফেলে গেল সন্তানরা

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুচিয়াবাড়ি গ্রামের পাঁচ সন্তানের জননী ফুজলি বেগম (৮৬)। স্বামী ছামাদ শেখ মারা গেছেন ৩০ বছর হলো।

অনেক কষ্ট করে খেয়ে না খেয়ে তিন ছেলে আর দুই মেয়েকে বড় করেছেন ফুজলি। দিয়েছেন ছেলে-মেয়েদের বিয়ে। এখন পাঁচ ছেলে-মেয়ে নিজ নিজ সংসারে ভালোই আছে।

কিন্তু তাদের কারও সংসারেই বৃদ্ধা মায়ের ঠাঁই হয়নি। মাকে খেতে-পরতে দিতে চায় না কোনো সন্তান। তাই গভীর রাতের অন্ধকারে মাকে বাড়ি থেকে ভ্যানে করে নিয়ে বাঁশঝাড়ের নিচে রাস্তায় ফেলে গেছেন ছেলেরা।

বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়রা বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে বড় ছেলে ডাকু শেখের বাড়িতে রেখে এসেছেন। বর্তমানে ছেলের ঘরের বারান্দায় অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন মা।

স্থানীয়রা জানান, ৩০ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্ট করে ছেলে-মেয়েদের বড় করেছেন ফুজলি বেগম। এখন বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। এখন তিনি কোনো কাজ করতে পারেন না।

ছেলে-মেয়েদের কাছে বোঝা হয়ে গেছেন তিনি। তিন ছেলের আলাদা সংসার থাকলেও কোনো ছেলেই তার দায়িত্ব নিতে চান না। তাই গভীর রাতে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে আসেন তারা। গ্রামের লোকেরা ছেলেদের অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও তার দায়িত্ব নিতে নারাজ ছেলেরা।

ওই গ্রামের আলফাজ উদ্দিন বলেন, বৃদ্ধা মাকে রাস্তার পাশে একটি প্লাস্টিকের বস্তা বিছিয়ে শুইয়ে রেখে যান তার ছেলেরা। আমরা গিয়ে দেখি, তার শরীরে অনেক পোকামাকড় ভরা। এ দৃশ্য দেখে চোখের পানি আটকে রাখতে পারিনি।

কুচিবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য গোলাম সরোয়ার বলেন, আমরা গ্রামের লোকজন বৃদ্ধার ছেলেদের অনেক অনুরোধ করেছি।

কোনো ছেলেই মায়ের দায়িত্ব নিতে চায় না। আমরা সবাই তার ছেলেদের বলেছি, আমরা সবাই মিলে বৃদ্ধার খাবার দেব, তোমরা শুধু বৃদ্ধার থাকার ব্যবস্থা করো। কিন্তু ছেলেরা কেউই মায়ের দায়িত্ব নিতে চাচ্ছে না।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে বৃদ্ধার ছেলেরা কেউ কথা বলতে রাজি হননি। এমনকি ওই বৃদ্ধার আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কাজী বনি আমিন বলেন, আমি বর্তমানে একটি কাজে ঢাকায় অবস্থান করছি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ওই বৃদ্ধার খোঁজ-খবর নেয়া হবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*