প্রতিদিন মাত্র ১টি এলাচ খাওয়ার উপকারিতা জানলে আপনিও খাবেন…

খাবার খেতে বসলে মুখে এলাচ চলে গেলে মুখের স্বাদটাই মাটি হয়ে যায় অনেকের। ম নে মনে ভাবতে থাকেন এলাচ খাবারে না দিলেই কি নয়? কিন্তু সত্যিই এই এলাচ রান্নাতে না ব্যবহার করলেই নয়।

কারণ রান্নার স্বাদ ও গন্ধ বাড়ানো এলাচের অন্যতম কাজ। কিন্তু আপনি জানেন কি রান্না ছাড়াও আপনি এলাচ খেলে তা আপনার ১০ টি শারীরিক সমস্যা দূরে রাখবে? অনেকেই হয়তো বিষয়টি জানেন না। কিন্তু প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার ফলে নানা রকম সমস্যার সমাধান পাবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক এলাচের উপকারী গুণ সম্পর্কে :

এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়। আদার মতোই পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক কার্যকরী। বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচ মুখে দিন।

দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।

রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এলাচের রক্ত পাতলা করার দারুণ গুনটি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।

এলাচের ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম। দেহের বাড়তি ফ্লুইড দূর করে এলাচ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে।

মুখে খুব বেশি দুর্গন্ধ হয়? একটি এলাচ নিয়ে চুষতে থাকুন। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস মুখের দুর্গন্ধের পাশাপাশি মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়া সহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এলাচ দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাঁধা প্রদান করে থাকে।

এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল, ফ্রি র্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।

ভাইরাল হওয়া নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে! কে এই নারী?

স্কুলের সামনের রাস্তায় ডাবল লেনে গাড়ি পার্কিং করে রাখায় প্রাইভেটকার আরোহীকে তা সরিয়ে নিতে অনুরোধ করেন ট্রাফিক সার্জেন্ট। গাড়ি সরাতে আপত্তি জানিয়ে নিজেকে সাংসদের মেয়ে পরিচয় দেন ঐ প্রাইভেটকার আরোহী। এ সময় সার্জেন্টের সাথে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন তিনি।

ঘটনাটি মঙ্গলবার দুপুরে মিরপুর ১৩ নম্বর স্কলাস্টিকা স্কুলের সামনে ঘটে। ঘটনার সময় ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও চিত্র ধারণ করেন সার্জেন্ট ঝোটন শিকদার।

ভাইরাল হওয়া নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে! কে এই নারী?

মঙ্গলবার বিকেলে একটি ফেসবুক গ্রুপে প্রথম ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এরপর তা ছড়িয়ে পরে নানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরই মধ্যে পাওয়া গেছে নারীর বিস্তারিত পরিচয়।

জানা গেছে, প্রাইভেটকারটির আরোহীর নাম ফারজানা ইয়াসমিন। তার বাবার নাম আব্দুল বাতেন মিয়া। ফারজানা ইয়াসমিন নিজেকে সাংসদ কন্যা হিসেবে পরিচয় দিলেও দশম জাতীয় সংসদ সদস্যের তালিকায় তার বাবার নামে কোনো সংসদ সদস্য নেই।

ভিডিওতে দেখা যায় সার্জেন্ট ঝোটন শিকদার গাড়ির ভেতরে থাকা নারীকে তার গাড়ি সরিয়ে নিতে অনুরোধ করছেন। আর ঐ নারী নিজেকে সাংসদেরর মেয়ে পরিচয় দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এই কার গাড়ির ছবি তোলো? এটা সরকারি দলের লোকের গাড়ি। কার গাড়ির ছবি তোলো?’

এ বিষয়ে ঝোটন শিকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে একটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘ঘটনার সময় আমার কথাবার্তা যতেষ্ট নমনীয় ছিল। আমি তাকে গাড়িটি সরিয়ে নিতে অনুরোধ করি। কিন্তু তিনি আমার সাথে বেশ বাজে আচরণ করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘ডাবল লেনে গাড়ি পাকিং করায় বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। তাকে গাড়ি সরাতে বলায় দুই টাকার চাকরি করি, দুই টাকার সার্জেন্ট, তার বাবা এমপি এমন নানা কথা শোনান।’

মেট্রো-গ, ২৬-৯৩৪৭ নম্বরের এই গাড়িটির বিরুদ্ধে তিন অবৈধ পার্কিংসহ তিন ধারায় তিনটি মামলা করা হয়েছে বলে জানান সার্জেন্ট ঝোটন শিকদার।

ঘটনার কারণে উপর থেকে কোনো চাপ বা ফোন কল এসেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমার কাছে এমন কোনো কল বা কারো কোনো চাপ আসেননি। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি।’

এদিকে পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর ফেসবুকে অনেকেই ওই নারীর কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের ভিডিও শেয়ার করে তার কঠোর সমালোচনা করেন।

ওই পোস্টের নিচে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মিহাদ রহমান লিখেছেন, ‘অন্যায় যে করবে সে অপরাধী, হোক আওয়ামী লীগ অথবা বিএনপি কোনো ছাড় নেই। সার্জেন্ট ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য।’

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মিহাদ রহমান লিখেছেন, ‘অন্যায় যে করবে সে অপরাধী, হোক আওয়ামী লীগ অথবা বিএনপি কোনো ছাড় নেই। সার্জেন্ট ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য।’

হাসান রিজভি নামের চট্টগ্রামের এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘এরা রাস্তাঘাটে সরকারের নাম অন্যায় কাজে বিক্রি করে কষ্টে অর্জিত দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।’

কাজী কামরুল নামে এক ব্যবসায়ী লিখেছেন, ‘উনাকে ও উনার গাড়িটা আটক করা উচিত ছিল। তারপর দেখা যেত তিনি কোন নেতার বউ বা মেয়ে। এরা দলের ক্ষতি করে। উনার কথাগুলো রেকর্ড করা ছিল তাই আটক করা যেত।’

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*