এবার হাঁটুর বয়সী যে নায়িকার সঙ্গে রোমান্স করবেন শাকিব খান!

পরিচালক অমিতাভ রেজার আগামী ছবির হিরো শাকিব খান৷ এ খবর তো সকলেই জানেন৷ বাংলাদেশের এই হার্টথ্রবের বিপরীতে কে থাকবে, সেই নিয়ে শুরু হয়েছিল ঘোর গুঞ্জন৷

অধিকাংশ সিনেপ্রেমীদের মতে শাকিবের নায়িকা হবেন বুবলীই৷ কারণ তাঁর সঙ্গে একের পর এক ছবিতে অভিনয় করে বেশ মাখোমাখো রসায়ন তৈরি করে ফেলেছেন৷

দর্শক এখন শাকিবের বিপরীতে বুবলীকে ছাড়া অন্য কাউকে ভাবতেই পারছে না৷ তবে এই স্টিরিওটাইপ চিন্তা ভাবনা ভেঙে ঢালিউডে আনছেন এক অন্য নায়িকা৷ সেই অভিনেত্রীর বয়স নাকি মাত্র কুড়ি বছর৷

হ্যাঁ! এমনই খবর ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছে চলচ্চিত্র পাড়ায়৷ তবে সব গুঞ্জনের সময় শেষ৷ অবশেষে পরিচালক অমিতাভ জানালেন তাঁর ছবির নায়িকার বয়স সত্যিই কুড়ি বছর৷

সেই মেয়েই অভিনয় করবেন মুখ্য ভূমিকায়৷ অমিতাভ রেজা চৌধুরী পরিচালিত ‘রিকশা গার্ল’ ছবিতে শাকিবের সঙ্গে ওই নায়িকার কথাই ভাবা হয়েছে৷ ছবির চিত্রনাট্য অনুযায়ী শাকিবের সঙ্গে এমন অভিনেত্রীরই প্রয়জন ছিল বলে জানা গিয়েছে৷

কুড়ি বছর বয়সী অভিনেত্রীর সঙ্গে অভিনয় করার যে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, সেই গুঞ্জন সম্প্রতি সত্য বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ছবির নির্মাতা৷

কয়েকদিন আগেই শাকিবের সঙ্গে কথাবর্তা চলছিল পরিচালকের৷ এই কথাবার্তার মধ্যেই নায়িকা বেছে নেওয়া হয়েছে৷ শাকিবের অভিনয়ের বিষয়ে অমিতাভ রেজা বলেন, “শাকিবের চরিত্রটি কিন্তু বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

তাকে আমরা যেমন চলচ্চিত্রের হিরো হিসেবে দেখি, এখানেও সেভাবেই দেখব৷ ছবির চরিত্রটি নিয়ে শাকিব বেশ উচ্ছ্বসিত। এখানে তাকে একেবারে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হবে৷”

গল্পের বিষয়ে পরিচালক জানিয়েছেন, বাংলাদেশের মেয়ে নাইমাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে চিত্রনাট্য৷ আর্থিক অভাবে ভুগত নাইমার পরিবার৷ কীভাবে সে পরিবারের পাশে দাঁড়াবে৷

কীভাবে পরিবারকে সাহায্য করবে, সেই অভিনব পদ্ধতি নিয়েই নাইমার কাহিনি গোটা বাংলাদেশে ছড়িয়ে যায়৷ পুরুষের বেশ নিয়ে অসুস্থ বাবাকে নিয়ে বাবার রিকশা করেই বেরিয়ে পড়ে সে৷

রাস্তায় এক দুর্ঘটনায় বাবার প্রিয় রিকশাটি ভেঙে যায়৷ তার বাবার অর্থ উপার্জনের একমাত্র উপায় সেই রিকশা৷ সেই রিকশাকে সারিয়ে তোলাই হয়ে ওঠে নাইমার প্রতিজ্ঞা৷ সঙ্গে বাবাকে সুস্থ করে তোলার দায়িত্ব৷ এই পণ নিয়ে এগিয়ে যায় সে৷

ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী লেখিকা মিতালি পারকিনসের কিশোর সাহিত্য ‘রিকশা গার্ল’ অবলম্বনে ছবিটি তৈরি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷ ছবির চিত্রনাট্য লিখছেন শর্বরী জোহরা আহমেদ। ছবিটি প্রযোজনা করছেন মার্কিন প্রযোজক এরিক জে অ্যাডামস।

ছবিটি নিয়ে নায়ক-নায়িকা-পরিচালক যতটা উৎসাহিত, ঠিক ততটাই দর্শকরাও উৎসাহিত হয়ে পড়েছে৷ বাংলাদেশের দর্শকরা একেবারে ভিন্ন ধারার ছবিতে দেখতে চলেছেন শাকিব খানকে৷ সঙ্গে কমবয়সী এক নায়িকা৷ সব মিলিয়ে উত্তজনা একেবারে তুঙ্গে৷

আমার সাফল্যের পেছনে একটা বড় অবদান প্রেমিকার : সিয়াম

‘পোড়ামন ২’ ছবির এই নায়কের কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি বর্তমানে প্রেম করছেন কিনা? উত্তরে এই নায়ক জানান, আমি শোবিজে এসেছি চার বছর হলো। আর আমি প্রেম করছি সাত বছর ধরে। মানে শোবিজের চেয়ে আমার প্রেমের বয়স বেশি!

আমার সাফল্যের পেছনে একটা বড় অবদান প্রেমিকার : সিয়াম

এমন খোলামেলা উত্তরে অনেক নারী ভক্তের আহত হওয়ার সম্ভাবনা নেই? এমন প্রশ্নে সিয়াম বলেন, না। আমার ভক্তদের আহত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ আমার ভক্তরা আমার সম্পর্কে বহু আগে থেকেই জানেন।

আর এসব জেনেই তারা আমাকে ভালোবাসেন। আর এটিই মূলত আসল ভালোবাসা। আর এই নিয়েতো তারা গর্ব বোধ করবে যে অন্তত একজন আছেন, যিনি সম্পর্ক নিয়ে ফ্রি মাইন্ডেড। কোনো মিথ্যার আশ্রয় নেয় না।

দেশব্যাপী এখন সিয়ামের ভক্ত অনুরাগী। এরমধ্যে প্রচুর নারী ভক্তরাও আছেন। এসবে প্রেমিকা ঈর্ষাবোধ করে অভিনয় জীবনকে বারণ করেন কিনা জানতে চাইলে সিয়াম বলেন, সে না থাকলে আমার প্রথম ছবিটাই করা হতো না।

আমার চারপাশের সবাই যখন বলেছে এখনই তোমার সিনেমায় আসা উচিত হবে না, এমনকি আমার বাবা-মাও চাননি আমি এখনই সিনেমায় আসি, সেখানে একমাত্র সে-ই আমাকে সিনেমায় আসতে সাহস যুগিয়েছে।

শোবিজে সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা প্রেমিকার, এমনটা জানিয়ে সিয়াম আরো বলেন,আমার সাফল্যে তার(প্রেমিকা) চেয়ে বেশি আর কেউ প্রাউড ফিল করবে বলে আমার মনে হয় না। কারণ আমার সাকসেসের পেছনে একটা বড় অবদানতো তারও।

মুক্তির ১০০ দিন পার করলো ‘পোড়ামন ২’। এখনো দেশ বিদেশের বেশকিছু প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি চলছে। মুক্তির প্রতীক্ষায় আছে তার অভিনীত দুটি চলচ্চিত্র।

একটি রায়হান রাফী পরিচালিত ‘দহন’ এবং অন্যটি দেশের মেধাবী নির্মাতা তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘ফাগুন হাওয়ায়’। দুটি ছবি দুই ধরনের। দুটি ছবি নিয়ে বেশ কৌতূহলী সিয়াম নিজেও।

মুক্তি প্রতীক্ষিত ‘দহন’-এর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে সিয়াম বলেন, ‘দহন’-এ খুব বেশি এক্সপেরিমেন্ট করে ফেলেছি। জানি না দর্শক কীভাবে নিবে। চুল কেটে ফেলেছি, আইভ্রু কেটে ফেলতে হয়েছে, চার/পাঁচ দিন টানা গোসল করিনি।

একটা সিন ছিলো যেখানে আমার চরিত্রটি ছিলো কয়েকদিন না খাওয়া, সেসময় আমাকে টানা চব্বিশ ঘন্টার মতো শুধু পানি খেয়ে থাকতে হয়েছে। ছবিটি পুরোপুরি ‘পোড়ামন ২’-এর বিপরীত ধর্মী বলেও উল্লেখ করেন সিয়াম।

এদিকে তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘ফাগুন হাওয়ায়’ চলচ্চিত্র নিয়েও বেশ উচ্ছ্বসিত সিয়াম।

তার মতে ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত এই ছবিটি বাংলাদেশের ইতিহাস যতোদিন থাকবে, ততোদিন টিকে থাকবে। এই ছবির একজন সদস্য হতে পেরে নিজেকে নিয়ে গর্ব করেন বলেও জানান তরুণ এই অভিনেতা।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*